বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহীম
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআ’লার জন্য । দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক মহানবী মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (স.)-এর উপর। তার পরিবারবর্গ ও সাহাবাগণের উপর।
শিক্ষা সবার জন্য। নারী-পুরুষ ও ভাষা-বর্ণের কোন ভেদাভেদ নেই এতে। ইসলাম নারী-পুরুষ উভয়ের উপর ইল্ম সন্ধান করাকে অপরিহার্য করেছে। অন্যতম প্রধান ফরয হিসেবে সাব্যস্ত করেছে। আমাদের দেশে প্রকৃত মাদ্রাসা অর্থাৎ ক্বওমী ধারার মাদ্রাসাগুলো সে শিক্ষার প্রচার ও প্রসারের খেদমাত আন্জাম দিয়ে যাচ্ছে। বিলম্বে হলেও বালক মাদ্রাসার সাথে এখন বালিকা মাদ্রাসাও বেশ দূর পথ এগিয়ে গেছে। দেশের খুব কম জেলা-উপজেলা হয়ত এমন আছে, যেখানে মহিলা মাদ্রাসা বা ক্বওমী ধারার বালিকা মাদ্রাসা নেই। ছেলেদের পাশাপাশি আমাদের সমাজের মুসলিম মেয়েরাও এখন পবীত্র কোরআন বিশুদ্ধ তেলাওয়াত, হিফজুল কোরআন সহ ক্বওমী নেসাবের বিধিবদ্ধ একাডেমিক কোর্সের ৭/৮ বছরের সুদীর্ঘ যাত্রা অতিক্রম করে আলেমা হিসেবে কর্মক্ষেত্রে অবদান রেখে চলছে। তবে; নিতান্ত দু:খের বিষয় হল নিরাপদ ও মানসম্পন্ন মহিলা মাদ্রাসার এখনো অনেক অভাব।
বাংলার কৃতি সন্তান, মুসলিহে উম্মাহ হযরত মাওলানা ইদ্রীস সাহেব সন্দ্বীপী (রহ.) বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বহু মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেও সর্বদা চিন্তিত থাকতেন, বাংলার মুসলিম নারীদের দ্বীনি শিক্ষা নিয়ে। অবশেষে এন্তেকালের বছর খানেক পূর্বে একান্ত ঘরোয়া পরিবেশে একটি মেয়েদের মাদরাসার রুপরেখা দাঁড় করান। অত:পর নিজ কন্যা ও জামাতাকে তার পরিকল্পনার কতিপয় জরুরী উপদেশ প্রদান করেন ও দোয়া করে দেন। ৬/৭ জন ছাত্রী নিয়ে শুরু হওয়া অত্র বালিকা মাদ্রাসা এখন পনের বছর অতিক্রম করছে। কঠর শর্ত-শরায়েতের সাথে ভর্তি নেয়া সত্বেও বর্তমান ছাত্রী সংখ্যা প্রায় আড়াই শত। সমস্ত প্রসংশা মহান আল্লাহর জন্য; কেবল তারই তাওফীকে অত্র বালিকা মাদরাসা সকলের কাছে এখন একটি ‘মডেল বালিকা মাদরাসা’ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। মাদরাাসার পূর্ণ নাম: ‘‘আল-মাদ্রাসাতুদ্বীনিয়া লিল বানাত’’ , তবে লোকমুখে মাদ্রাসাটি ‘‘মাদানীনগর বালিকা মাদ্রাসা’’ নামেই বেশী প্রশিদ্ধ।
- Morning Shift07:30:00-01:00:00
- Day Shift08:00:00-12:30:00
Our Shift
Online Admission
Admission going on
Get admission from complete digital institute
Our institute are ready to serve you.
